যৌন অক্ষমতার অন্যতম প্রধান কারণ ঘন ঘন স্বপ্ন দোষ।পুরুষের স্বপ্নদোষোর কারন ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তবে স্বপ্নদোষের প্রধান কারন যৌন উত্তেজক ভাবনা ও হস্ত মৈথুন।হরমোন জনিত কারনে এবং অতৃপ্ত যৌন আকাঙ্খার কারনেও স্বপ্নদোষ হওয়ার অন্যতম কারন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের চুড়ান্ত পরিনতি যৌন অক্ষমতা ও দ্রুত বীর্য স্খলন।
![]() |
Bottle Gourd image |
১) লাউ বা কদুর রস: কদুর রস বা নির্জাস দেহ জনন তন্ত্রকে ঠান্ডা রাখে যা স্বপ্ন দোষ বন্ধ করে। ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে আধা গ্লাস কদুর রস খেতে পারেন। অথবা কদুর রসের সাথে সৈরসার তেল মিশিয়ে মাথার তালুতে ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার স্বপ্ন দোষ বন্ধ করতে সাহায্য করবে।
![]() |
Gooseberry image |
![]() |
Onion image |
![]() |
Garlic image |
৩) রসুন ও পিয়াজ: রসুনের বহুবিধ গুন সম্পর্কে আমরা অবহিত।কাঁচা রসুন স্বপ্ন দোষ বন্ধে অত্যন্ত কার্যকর।২-৩ কোয়া রসুন পিষে পানিতে মিশিয়ে সেবন করতে পারেন। পিয়াজও স্বপ্ন দোষ বন্ধে অত্যন্ত কার্যকর।সালাতের সাথে পিয়াজ খেলে স্বপ্ন দোষ আরোগ্য হয়। রসুন যৌন রোগে চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত হয়।
৪) গোসল: ঘুমাতে যাওয়ার আগে দেহে তেল মেখে গোসল করুন।এটি অত্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা।গোসল করার ফলে আপনার সাড়া দেহ ঠান্ডা হয়ে যাবে।আপনার শরীরের অতিরিক্ত তাপ প্রশমিত হবে।ফলে যৌনাঙ্গ গরম হয়ে উত্তেজিত হবে না।
৫) বই পড়ুন: ঘুমানোর সময় বই নিয়ে পড়তে থাকুন।ধর্মীয়, জীবনী, প্রেম, সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে বই পড়ুন।তবে অবশ্যই পর্নগ্রাফী বই পড়বেন না বা পর্নো ছবি দেখবেন না।
৬) যৌন চিন্তা পরিহার করুন: স্বপ্ন দোষের অন্যতম প্রধান কারন কুরুচু পূর্ণ জীবন যাপন। বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন। অশ্লীল চিন্তা, অশ্লীল ছবি ও পর্নো মুভি দেখা বন্ধ করুন। হস্ত মৈথুন করা থেকে বিরত থাকুন।
৭.টাইট পোষাক ও ঘুম : টাইট ফিট কাপড় বা পাজামা পড়বেন না, কারন এতে যৌনাঙ্গ উত্তেজিত হয়ে স্বপ্ন দোষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাতলা সুতির কাপড় পড়ে ঘুমাতে যান। উপুড় হয়ে ঘুমাবেন না। অত্যধিক ঘুমালে স্বপ্ন দোষ হতে পারে। সম্ভব হলে রাতে কয়েক বার জেগে উঠুন।
৮) তুলসির রস: তুলসি পাতার রস পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাওয়ার এক ঘন্টা পূর্বে সেবন করুন। এটি স্বপ্ন দোষের অব্যর্থ ঔষধ।
রাতে মাংস, ডিম ও উচ্চ প্রটিন যুক্ত খাবার খাবেন না, কারন এগুলো শরীরে উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। ঘুমানোর আগে পুরুষাঙ্গ ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রস্রাব করে ঘুমাতে যাবেন।ঘুমাতে যাওয়ার কম পক্ষে দুই ঘন্টা আগে রাতের খাবার খাবেন। নরম বিছানায় ঘুমাবেন না।